• খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও আশ্রয়ের তীব্র সংকটে লাখো বানভাসি

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি-বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জনপদ যেন এক বিশাল জলরাশিতে পরিণত হয়েছে। টানা কয়েক দিনের অতি ভারী বর্ষণ এবং ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরামসহ সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে নেমে আসা ঢলে ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে উঠে গ্রাম, জনপদ, কৃষিজমি, সড়ক, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত করেছে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায়। পাশাপাশি কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতেও লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

বাঁশখালী যেন এখন পানির নিচে আটকে থাকা এক জনপদ। টানা পাঁচ দিন ধরে হাজার হাজার পরিবার ঘরবন্দি। অনেক বাড়ির চালা ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছে না। কোথাও কোমর, কোথাও বুকসমান পানি। রান্নাঘর ডুবে যাওয়ায় চুলায় আগুন জ্বলেনি দিনের পর দিন। শুকনো খাবারও শেষ হয়ে এসেছে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে দূষিত পানি পান করে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। শিশুদের জন্য দুধ নেই, বৃদ্ধদের জন্য ওষুধ নেই, গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই।

সরকারি হিসাবে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। শুধু সাতকানিয়াতেই প্রায় চার লাখ মানুষ পানিবন্দি। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের প্রায় সব এলাকাই প্লাবিত। বাঁশখালী ও লোহাগাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে চলে গেছে। ঘরবাড়ি, দোকানপাট, মাছের ঘের, ফসলি জমি-সবকিছুই ডুবে রয়েছে।

বন্যার ভয়াবহতার মধ্যেই প্রতিদিন যোগ হচ্ছে নতুন নতুন হৃদয়বিদারক ঘটনা। সাতকানিয়ার এওচিয়া ইউনিয়নের একটি দিঘি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ। কয়েক দিন পানির নিচে থাকায় লাশে পচন ধরেছে। পুলিশের ধারণা, বন্যার পানির স্রোতে ভেসে এসেছে লাশটি।

একই উপজেলার আরেকটি ঘটনা পুরো এলাকাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো. ফোরকানের আকস্মিক মৃত্যু হলে চারদিকে বুকসমান পানি আর পারিবারিক কবরস্থান প্লাবিত থাকায় তাঁর লাশ ভেলায় করে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের পাহাড়ি কবরস্থানে নিয়ে দাফন করতে হয়েছে। জীবনের শেষ যাত্রাও যেখানে স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করা যায় না, সেখানে দুর্যোগের নির্মমতা কতটা গভীর, সেই চিত্রই ফুটে উঠেছে এই ঘটনায়।

বাঁশখালীতে পানির প্রবল স্রোতে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ডুবে ও দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। অনেক মাটির ঘর ধসে পড়েছে। ভেসে গেছে গবাদিপশু, খাদ্যশস্য, আসবাবপত্র ও মানুষের সারা জীবনের সঞ্চয়।

পানিবন্দি মানুষের সবচেয়ে বড় সংকট এখন খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, শিশুখাদ্য ও ওষুধ। বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। মোবাইল নেটওয়ার্কও অনেক জায়গায় অচল হয়ে পড়েছে। ফলে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন দুর্গতরা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পরিষদে আশ্রয় নিয়েছেন হাজারো পরিবার। তবে আশ্রয়কেন্দ্রেও প্রয়োজনের তুলনায় ত্রাণ ও নিরাপদ পানির ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন দুর্গতরা।

সাতকানিয়ার সৈয়দপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, “আমাদের বাড়ির সবকিছু পানিতে তলিয়ে গেছে। কয়েক দিন ধরে শুধু শুকনো খাবার খেয়ে আছি। বাচ্চাদের জন্য দুধ নেই, ওষুধ নেই। এখন সবচেয়ে বেশি দরকার খাবার আর বিশুদ্ধ পানি।”

দুর্যোগের শুরু থেকেই সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসন কয়েকশ টন চাল ও নগদ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। আরও ত্রাণ সহায়তা পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে। তবুও দুর্গত মানুষের সংখ্যা এত বেশি যে প্রয়োজনের তুলনায় সহায়তা এখনও অপ্রতুল।

এদিকে ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ ডুবে যায়। সাতকানিয়া-বান্দরবান সড়ক বন্ধ হয়ে বান্দরবানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। রেললাইন প্লাবিত হওয়ায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ ছিল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেন চলাচল। পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় অবশেষে রোববার থেকে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

বান্দরবানেও দুর্ভোগ কমেনি। জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধস, সড়ক ভেঙে যাওয়া এবং জলাবদ্ধতার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি ও আলীকদমের বিভিন্ন সড়কে পাহাড়ধসের মাটি জমে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষজনের অভিযোগ, পর্যাপ্ত খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট রয়েছে। জেলা শহরে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যেরও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় নৌকা বা ভ্যানে পারাপারের নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।

রাঙামাটিতে বন্যার পানি কিছুটা কমলেও এখনও প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি। বিশেষ করে বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি ও বরকল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে। অনেক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরলেও ঘরবাড়ি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কৃষিজমি ও মাছের খামারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ধসে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

খাগড়াছড়িতেও প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবার এখনও পানিবন্দি। অন্তত ৩০টি গ্রামের মানুষ খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকটে রয়েছেন। বিশেষ করে দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক সড়ক ও সেতু এখনও পানির নিচে থাকায় ত্রাণ পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে কক্সবাজারেও টানা বৃষ্টিতে বন্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে গেলেও সেখানে প্রয়োজনীয় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যসেবার সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নিম্নাঞ্চলের মানুষ এখনও ঘরে ফিরতে পারছেন না।

বন্যা শুধু মানুষের ঘরবাড়িই ভাসিয়ে নেয়নি; কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতেও বিপুল ক্ষতি করেছে। হাজার হাজার হেক্টর আউশ ধান, সবজি ও বীজতলা নষ্ট হয়েছে। প্রায় ১০ হাজারের মতো পুকুর ও মাছের ঘের প্লাবিত হয়ে কোটি কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে। বহু গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি মারা গেছে। কৃষকদের সামনে এখন নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলে প্রায় প্রতি বছরই একই ধরনের বন্যা দেখা দেয়। নদী খনন, কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং পরিকল্পিত অবকাঠামো গড়ে তোলা না হলে এই দুর্যোগ বারবার ফিরে আসবে। জলবায়ু বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। তাই শুধু ত্রাণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি দুর্যোগ-সহনশীল পরিকল্পনাই এখন সময়ের দাবি।

পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও মানুষের দুর্ভোগ এখনও শেষ হয়নি। সামনে অপেক্ষা করছে ঘরবাড়ি মেরামত, কৃষিজমি পুনরুদ্ধার, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা এবং নতুন করে জীবন গড়ে তোলার কঠিন সংগ্রাম। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের লাখো মানুষের এই দুর্দশা এখন কেবল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের গল্প নয়; এটি এক গভীর মানবিক সংকট, যেখানে বেঁচে থাকার লড়াইটাই সবচেয়ে বড় বাস্তবতা।

খাগড়াছড়ির বন্যায় এখনো পানিবন্দি সাড়ে ৩ হাজার পরিবার দীঘিনালায় দুর্ভোগ চরমে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা : খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও জেলার অন্তত ৩০টি গ্রামের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পরিবার এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। বিশেষ করে দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা এখনো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। কোথাও কোথাও সড়ক ও সেতু পানির নিচে থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে এবং খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকটে পড়েছেন দুর্গত মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলেও অনেক বাড়িঘর, কৃষিজমি ও গ্রামীণ সড়ক এখনো পানিতে তলিয়ে রয়েছে। ফলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন না হাজারো মানুষ। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি।

কাপ্তাইতে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে বিজিবি

কাপ্তাই সংবাদদাতা : চলমান বৈরী আবহাওয়া ও ভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

গতকাল রোববার বিকালে কাপ্তাই বড়ইছড়ি সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে বিজিবি’র রাঙামাটি সেক্টর অধীনস্থ কাপ্তাই ওয়াগ্গা ব্যাটালিয়ন ৪১ বিজিবি উদ্যোগে বড়ইছড়ি ও মিতিংগ্যা ছড়ির আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ১২০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালে এ সময়ে রাঙ্গামাটি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু মোহাম্মদ সিদ্দিক আলম, এসইউপি, পিবিজিএম, পিএসসি, এবং কাপ্তাই ওয়াগ্গা ৪১ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস, উপস্থিত থেকে ত্রান বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু মোহাম্মদ সিদ্দিক আলম, এসইউপি, পিবিজিএম, পিএসসি, বলেন, দুর্যোগ কবলিত এলাকায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি সেক্টর তথা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সবসময় দেশের মানুষের পাশে রয়েছে বলে জানান এবং ভবিষ্যতেও একই ধারা অব্যহত থাকবে বলে তিনি সকলকে আশ্বস্ত করেন।

বান্দরবন সংবাদদাতা : বান্দরবানে বন্যায় ৬ জনের মৃত্যু, বন্যা কবলিত এলাকা সাচিংপ্রু জেরী এমপি, জেলা জামায়াতের আমীর এস এম আবদুচ সালাম আজাদ, জেলা প্রশাসক সানি উল ফেরদৌস ও পৌরপ্রশাসক এস এম মনজুরুল হক পৃথকভাবে পরিদর্শন সহ ত্রান সামগ্রী বিতরণ করছে, বান্দর বান পৌরসভার উদ্যোগে ৮ জুলাই থেকে ১৯ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলে ২ বেলা খাবার দিচ্ছে, জেলা প্রশাসক কন্ট্রোল রুম খোলেছে, ১২ জুলাই ৫ টা নাগাদ বন্যার পানি নেমে গেলেও বন্যার্তদের ঘরে ফেরার পরিবেশ হয়নি।

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপির নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে উপজেলার মেখল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নৌকাযোগে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এদিন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেওয়া হয়। পাশাপাশি দুর্গত পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এর আগে, টানা বর্ষণ, জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ।